মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায় সহজভাবে
মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায় গুলা কি কি তা আমরা আজকে এই পোস্টে ধাপে ধাপে জানতে পারব, বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। তবে বাজারে নতুন ব্র্যান্ডের পাশাপাশি নকল বা মাস্টার কপি মোবাইলও ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপকভাবে। আজকে জানবো মাস্টার কপি ফোন চেনার উপায়।
অনেক সময় ক্রেতারা অজান্তেই মাস্টার কপি কিনে প্রতারিত হন। তাই সঠিকভাবে মাস্টার
কপি মোবাইল চেনার উপায় জানা খুবই জরুরি। এতে করে আপনি শুধু প্রতারণা থেকে
বাঁচবেন না, বরং আপনার টাকার সঠিক মূল্যও পাবেন। চলুন এবার বিস্তারিত যেনে নেয়া
যাক। জেনো আসল নকল চিনতে সমস্যা না হয়।পোস্ট সুচিপত্রঃ মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায়জেনো
- মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায় সহজভাবে
- আসল ফোন ও মাস্টার কপি চেনার ট্রিক
- বাজারে মাস্টার কপি মোবাইল চিনতে করণীয়
- IMEI দিয়ে মাস্টার কপি মোবাইল চেনার কৌশল
- আসল বনাম নকল ফোন চেনার সহজ গাইড
- মাস্টার কপি মোবাইল কিনবেন না এমন ভুলে
- ক্যামেরা ও ব্যাটারি টেস্ট বাস্তব ব্যবহারিক পরীক্ষা
- কিভাবে যাচাই করবেন টুলস ও অ্যাপস দিয়ে
- সেলার রিভিউ ও রিটার্ন পলিসি
- শেষ কথাঃ মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায়
মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায় সহজভাবে
আজকের ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন শুধু যোগাযোগের নয়, অর্থ লেনদেন, শিক্ষা, কাজ ও
বিনোদনের মাধ্যমও। তাই ভালো ফোন কেনা মানে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছ্যতার নিশ্চয়তা।
কিন্তু বাজারে একই সাথে আসল ও মাস্টার কপি নকল ফোনও প্রচুর, প্রতিটা বছর নতুন
মডেল আসার সাথে নকল ফোনের গুণগত উন্নতি হয়। দেখতে অনেক সময় আসল ফোনের মতোই মনে
হলেও ব্যবহার করলে বোঝা যায় পারফরম্যান্স, ব্যাটারি এবং নিরাপত্তায় বড় ফারাক।
নকল ফোন কেনা মানেই টাকা নষ্ট হওয়া ছাড়াও ব্যক্তিগত ডেটা ঝুঁকিতে পড়া, আপডেট
না পাওয়া বা সার্ভিসিং সমস্যা।
তাই আপনার উচিত কেনার আগে সতর্কতা অবলম্বন করা, প্যাকেজ, IMEI, সফটওয়্যার,
পারফরম্যান্স সব মিলিয়ে যাচাই করা। এই আর্টিকেলে আমি ধাপে ধাপে দেখাবো কীভাবে
সহজে মাস্টার কপি চেনা যায়, কোন টুলগুলো কাজে লাগে এবং অনলাইন, অফলাইন
কেনাকাটায় কি সতর্কতা নিতে হবে। যদি আপনি প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন, তাহলে নকল
ফোনে ফাঁস হওয়ার শঙ্কা অনেক কমে যাবে এবং আপনি নিশ্চিতভাবে টেকসই বিনিয়োগ করতে
পারবেন। চলুন এবার একে একে জেনে নেয়া যাক।
আসল ফোন ও মাস্টার কপি চেনার ট্রিক
ফোন কেনার আগে কিছু বিষয় জানা থাকলে আপনি সহজে নকল ফোন চিনতে পারবেন। নকল ফোন
চেনার প্রথম ইঙ্গিত হলো দাম। প্রতিটি ব্র্যান্ডের নির্দিষ্ট বাজার মূল্য থাকে;
যদি কোনো ফোন বাজার মূল্যের তুলনায় বিশেষভাবে প্রায় অর্ধেক বা তারও কম দামে
দেখা যায়, সেটি সন্দেহজনক। বিক্রেতারা মাঝে মাঝে স্টক ক্লিয়ারেন্স বা অরিজিনাল
এসইও ট্যাকটিক দেখিয়ে অত্যন্ত কম দামে অফার দেন, কিন্তু প্রকৃত প্যাকেজ,
গ্যারান্টি ও সার্ভিসিং না থাকলে সেটা ঝুঁকিপূর্ণ।
আরো পড়ুনঃ নকল ফোন চেনার উপায়
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে দাম তুলনা করা, বিভিন্ন সেলার রেটিং দেখা এবং একই মডেলের
গড় মূল্য জানলে সহজেই বোঝা যায় অফারটি বাস্তবসম্মত কি না। এছাড়া কুপন ও
ডিসকাউন্ট দেখে মুগ্ধ হওয়ার আগে বিক্রেতার নাম, রিভিউ ও রিটার্ন পলিসি চেক করুন।
যাচাই করুন আর সচেতন সিদ্ধান্ত নিন। ব্যয়বহুল ফোন কেনাটাই সব সময় নিরাপদ নয়,
বরং বিশ্বাসযোগ্য সেলার এবং গ্যারান্টিযুক্ত পণ্যই কেবল সাশ্রয়ী হবে দীর্ঘদিনে।
বাজারে মাস্টার কপি মোবাইল চিনতে করণীয়
বাজারে মাস্টার কপি মোবাইল চিনতে হলে আপনাকে আগে যেসব বিষয় ভালভাবে দেখতে হবে,
লোগো ও প্যাকেজিং পরীক্ষা কুরুন, ছোট কিছু বড় চিহ্ন বহু ক্রেতাই প্যাকেজ খোলার
আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, কিন্তু আসল ফোন ও মাস্টার কপির চিহ্ন অনেকখানি
প্যাকেজিং এ লুকানো থাকে। আসল ব্র্যান্ডের বক্সে লোগো সারফেসে স্পষ্ট, প্রিন্ট
মানসম্মত ও বানান নিখুঁত থাকে। বক্সের স্টিকার এ মডেল নাম্বার, IMEI, সিরিয়াল
নম্বর এবং উৎপাদন তথ্য থাকে এসব এন্ট্রি মিলে কিনা দেখুন। নকল বক্সে প্রায়শই
ঝাপসা প্রিন্ট, ভুল বানান, অনুপস্থিত লেবেল বা অসম্পূর্ণ ইনফো দেখা যায়।
প্যাকেজিং খুলে চেক করুন ইনবক্সে থাকা চার্জার, ডেটা কেবল, হেডফোন ও ম্যানুয়াল
এসব গুণগত মান চেক করুন। আসল অ্যাক্সেসরিজ সাধারণত শক্ত ও ঠিকঠাক ফিনিশ করা হয়,
নকল পণ্যগুলো হালকা, ভীতুচিহ্ন আছে বা প্লাগ কেবলের মান খারাপ থাকবে। যদি
বিক্রেতা প্যাকেজ খুলতে দিতে না চায়, সেটাই বড় সংকেত, অবশ্যই প্যাকেজ দেখা বা
পাঁচ মিনিটের দ্রুত টেস্টের সুযোগ নিন। প্যাকেজিংই প্রথম লাইন চেক, এখানে সতর্ক
হলে অনেক ভুল এড়ানো যায়।
IMEI দিয়ে মাস্টার কপি মোবাইল চেনার কৌশল
আবার যেনেনিন মাস্টার কপি মোবাইল চেনার IMEI যাচাই পদ্ধতি, অনন্য শনাক্তকরণ ও
নিরাপত্তা, IMEI হলো প্রতিটি ফোনের অনন্য নম্বর, এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়
ফোন আসল কি নকল যাচাই করার। ফোনে *#06# ডায়াল করলে IMEI দেখা যায়, এছাড়া
সেটিংস, অ্যাবাউট ফোন থেকেও দেখা যায়। IMEI নম্বরটি ব্র্যান্ডের অফিসিয়াল সাইটে
বা নির্ভরযোগ্য IMEI চেকার সার্ভিসে কন্ট্রোল করলে আপনি জানতে পারবেন ফোনটি
রেজিস্টার্ড কি না, মডেল মিলছে কি না এবং কোনো ব্ল্যাকলিস্টেড রিপোর্ট আছে কি না।
নকল ফোনে একই IMEI বিভিন্ন ইউনিটে ব্যবহার করা হতে পারে বা IMEI বৈধ নয়। অনলাইন
কেনাকাটা করলে বিক্রেতা থেকে IMEI জিজ্ঞেস করে আগে যাচাই করুন। এছাড়া স্টোলেন
ফোন চিহ্নিত করার জন্যও IMEI কাজে লাগে, যদি ফোন ব্লক করা থাকে, সেটা কিনবেন না।
IMEI যাচাই করলে আপনি কেবল আসলতা নয়, আগের মালিক সম্পর্কিত নিরাপত্তা তথ্যও
জানতে পারেন, এটি স্মার্ট ও নিরাপদ কেনাকাটার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আসল বনাম নকল ফোন চেনার সহজ গাইড
আসল বনাম নকল ফোন চিনতে হলে আপনাকে আগে দেখতে হবে, ফিজিক্যাল কোয়ালিটি, বডি, ওজন
ও ফিনিশে পার্থক্য, আসল ফোনের বডি ফিনিশ ও ওজন প্রায়শই নকল ফোনের তুলনায় আলাদা
হয়। বড় ব্র্যান্ডগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট ইউনিবডি, লিউমিনাস ফিনিশ ও প্রিমিয়াম
ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করে, ফলে ফোনটি হাতে ধরলে ভারী ও টেকসই মনে হয়। নকল ফোনে
সস্তা প্লাস্টিক, ফুল ফিটিং না থাকা, ঢিলা বাটন বা ক্যামেরা মডিউল ঢুকে বের
হওয়ার লক্ষণ থাকতে পারে।
আরো পড়ুনঃ অরিজিনাল মোবাইল যাচাই করার নিয়ম
ওজন অস্বাভাবিকভাবে কম হলে সেটি লাল পতাকা, যদিও কখনও রিফার্বিশড ইউনিটগুলোরও
ওজন ভিন্ন হতে পারে। এছাড়া স্ক্রিনের রেজোলিউশন, টাচ রেসপন্স ও বিউল্ড টাইটনেস
পরীক্ষা করুন, এগুলো সাধারণভাবে ব্যবহার করলে চোখে পড়ে। ফিনিশ আর বিল্ড গুণমান
শুধুই সৌন্দর্যের প্রশ্ন নয়, এগুলো ফোনের টেকশিলতা ও লং টার্ম টেকসার্ভিস
নির্ধারণ করে। তাই হাতে নিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা
করি বুঝতে পেরেছেন।
মাস্টার কপি মোবাইল কিনবেন না এমন ভুলে
চলুন এবার জেনেনেই মাস্টার কপি মোবাইল কেনার আগে যেসব ভুল কর যাবে না।
সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্স, ল্যাগ, আপডেট ও সিস্টেম বৈশিষ্ট্য, সফটওয়্যার
পারফরম্যান্স হলো আসল এবং মাস্টার কপির মধ্যে সবচেয়ে দেখাযায় এফেক্ট। আসল
ফোনে অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস স্বচ্ছন্দে চলবে, অ্যাপ দ্রুত
লোড হবে, মাল্টিটাস্কিং মসৃণ হবে এবং নিয়মিত সিকিউরিটি OS আপডেট নিবে। নকল
ফোনে প্রায়ই কাস্টম বা জাঙ্ক ভারসন চালানো থাকে, এগুলোতে ল্যাগ, ক্র্যাশ বা
অনিরাপদ প্রি ইনস্টলড অ্যাপ থাকতে পারে।
ফোন বুট টাইম, অ্যাপ ইনস্টল আনইনস্টল, ফ্রেম ড্রপ ইত্যাদি পরীক্ষা করে নিন।
সেটিংসে দেখুন সফটওয়্যার ভার্সন এবং আপডেট অপশন আছে কিনা, ব্র্যান্ডেড ফোনে
সাধারণত সিরিয়াস OTA আপডেট সাপোর্ট থাকে। পারফরম্যান্স টেস্ট করতে দ্রুত কিছু
ভারী অ্যাপ বা গেম রান করে দেখুন, এটা সহজেই জানান দেবে CPU.GPU ক্ষমতা কী। যদি
ফোন খুবই পরিমিত হার্ডওয়্যার বলে দাবি করলেও বাস্তবে সামান্য পারফরম্যান্স
দেখায়, সতর্ক হোন। এটি নকল বা অপটু কনফিগারড ইউনিটের লক্ষণ। এমন মোবাইল কেনার
দরকার নাই।
ক্যামেরা ও ব্যাটারি টেস্ট বাস্তব ব্যবহারিক পরীক্ষা
ক্যামেরা ও ব্যাটারি হলো প্রত্যেক ক্রেতার জীবনের মূল চাহিদা, এগুলো নকল ফোনে
সবচেয়ে দ্রুত ফাঁস হয়। ক্যামেরা টেস্টে বিভিন্ন আলোতে একটি সাদা পত্রে ছবি
তুলুন, ক্লোজ আপ এবং ল্যান্ডস্কেপ শট নিন, রেজোলিউশন ও রঙ কতটা সত্যি দেখায়
সেটা মূল্যায়ন করুন। ভিডিও রেকর্ডিং করে স্ট্যাবিলাইজেশন এবং অডিও পরীক্ষা
করুন। নকল ফোনে ছবিতে নোয়াইজ বেশি, কালার টোন অপ্রাকৃতিক এবং অটোফোকাস স্লো বা
বিকল থাকতে পারে।
ব্যাটারি টেস্টে প্রথমে ফোন ফুল চার্জ করে দেখুন চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা ও
স্ক্রিন অন টাইম। তাপমাত্রা অনুমানও করুন, অতিরিক্ত গরম হওয়া ও দ্রুত ড্রেন
হলে সেটি ভালো লক্ষণ নয়। দ্রুত চার্জিং দাবির পরীক্ষা করুন বক্সের চার্জার
ব্যবহার করে সময় তুলনা করতে পারেন। ক্যামেরা ও ব্যাটারি বাস্তব ব্যবহারেই সঠিক
ধারণা দেয়, শুধু স্পেসিফিকেশন দেখলেই হবে না, ব্যবহারিক টেস্ট সবচেয়ে
নির্ভরযোগ্য তথ্য দেয়। এভাবেই খুব সহজে চিনতে পারবেন মাস্টার কপি মোবাইল।
কিভাবে যাচাই করবেন টুলস ও অ্যাপস দিয়ে
এবার যেনে নেয়া যাক কিভাবে মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায় যাচাই করবেন টুলস ও অ্যাপস দিয়ে, কিছু নির্ভরযোগ্য
অ্যাপ ও টুল ব্যবহার করলে ফোনের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দ্রুত যাচাই করা
যায়। CPU Z দিয়ে প্রসেসর, RAM ও সেন্সর দেখা যায়, AnTuTu বা Geekbench দিয়ে
পারফরম্যান্স বেঞ্চমার্ক মাপা যায়, AccuBattery ব্যাটারি হেলথ আন্দাজ দেয়, আর
Camera FV 5 টাইপের অ্যাপ ক্যামেরার কন্ট্রোল ও রেজাল্ট তুলতে সাহায্য করে।
IMEI চেকারের মাধ্যমে ফোন রেজিস্ট্রেশন ও ব্ল্যাকলিস্ট স্টেটাস দেখা যায়।
ইনস্টল করার সময় বিজ্ঞাপন বা অতিরিক্ত প্রি ইনস্টলড এজেন্ট থাকলে সতর্ক হওয়া
উচিত, নকল ইউনিটে প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার থাকে। অ্যাপগুলো দিয়ে শুধু
ফলাফল দেখা নয়, ফলাফল ব্র্যান্ডের দাবির সঙ্গে মিলছে কি না সেটাও যাচাই করুন।
এই ডিজিটাল টুলগুলো আপনাকে হাতে কলমে পরীক্ষা ছাড়াও সঠিক ডেটা দেবে, যা
বিক্রেতার দাবির সত্যতা প্রমাণ করতে সাহায্য করবে। নিশ্চয় বুঝেছেন।
সেলার রিভিউ ও রিটার্ন পলিসি
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কেনাকাটা, রিভিউ, সেলার ও রিটার্ন নীতি এগুলা জানা যাক
এবার, অনলাইন কেনাকাটা করার সময় বিক্রেতার রেটিং, প্রোডাক্ট রিভিউ ও রিটার্ন
পলিসি নিয়ে সতর্ক থাকুন। একই প্রোডাক্টে ভিন্ন সেলার থাকলে তুলনা করে দেখুন,
কোন সেলার সবচেয়ে রিয়েল ফটোগ্রাফ, ডেলিভারি রেকর্ড ও কাস্টমার রিভিউ দেয়।
রিভিউ পড়লে স্পেসিফিক প্রোবলেম যেমন ব্যাটারি, ক্যামেরা ইত্যাদি আছে কি না
লক্ষ্য করুন, যদি বহু রিভিউ একই সমস্যা বলছে, সেটি ইন্টারনাল ইস্যু।
আরো পড়ুনঃ সস্তায় আসল মোবাইল কেনার টিপস
রিটার্ন রিফান্ড পলিসি স্পষ্ট না হলে পণ্য গ্রহন থেকে বিরত থাকুন। কেশ অন
ডেলিভারি, অপশন থাকলে প্যাকেজ হাতে নিয়ে ওপেন করে টেস্ট করার সুযোগ নিন, এটি
অনলাইন কেনাকাটায় বড় সুবিধা। বিক্রেতার অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি বা ব্র্যান্ড
অথরাইজড সেলার হলে আরও ভালো। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ফেসবুক গ্রুপ,
রিভিউ দেখে বিক্রেতার আসল পরিচয় যাচাই করুন, অনেক দালাল একাধিক আইডি ব্যবহার
করে বিক্রি করে,এসব প্রতারণা থেকে সাবধান থাকুন।
শেষ কথাঃ মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায়
মাস্টার কপি মোবাইল চেনার উপায়, এতক্ষন আমরা যা জানলাম, ১. দাম তুলনা করে
অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট হলে সন্দিহান হোন।, ২. প্যাকেজ খুলে বক্স, লোগো ও
অ্যাক্সেসরিজ চেক করুন। ৩. *#06# দিয়ে IMEI যাচাই করুন। ৪ হাতে নিয়ে বডি, ওজন
ও ফিনিশ পরীক্ষা করুন, ৫. সফটওয়্যার, ক্যামেরা ও ব্যাটারি টেস্ট করুন। ৬.
অনলাইনে হলে সেলার রিভিউ, ওয়ারেন্টি ও রিটার্ন পলিসি নিশ্চিত করুন। যদি কেনার
পরে সন্দেহ হয়, ফোন সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ড সেন্টার বা অথরাইজড সার্ভিস সেন্টারে
নিয়ে যাচাই করান। স্মরণ রাখবেন। অল্প সময় বাঁচাতে যেকোনো পদক্ষেপ ছাড়া ফোন
কিনলে দীর্ঘমেয়াদে বড় সমস্যা হতে পারে।
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বাজারে আসল আর মাস্টার কপি মোবাইল আলাদা করা
অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। তবে আমি কিছু জিনিস খেয়াল করি, যেগুলোতে সাধারণত নকল
ধরা পড়ে। দামের দিকে নজর দিই, ফোনের বক্স আর প্যাকেজিং দেখি, সফটওয়্যার চেক
করি। সবশেষে, আমি সবসময় চেষ্টা করি বিশ্বস্ত দোকান থেকে কিনতে। এতে
প্রতারণার সুযোগ কমে যায় এবং সঠিক ওয়ারেন্টিও পাওয়া যায়। আশা করি আপনিও সব দিকে
খেয়াল রেখে আপনার সখের মোবাইলটি কিনবেন।
অনলাইন যাত্রার নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url